গ্রিক বর্ণমালা

খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক থেকে গ্রিক ভাষা লেখার জন্য গ্রিক বর্ণমালা ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর ২৪টি অক্ষর নিয়েই প্রথমবারের মতো স্বরবর্ণ অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল; লাতিন ও সিরিলীয় লিপির পূর্বসূরিও এটি।

২৪টি অক্ষর · প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক–বর্তমান

Alpha

a · /a/

ষাঁড়

Beta

b · /b/

ঘর

Gamma

g · /ɡ/

উট

Delta

d · /d/

দরজা

Epsilon

e · /e/

সাধারণ e

Zeta

z · /zd/

সম্ভবত অস্ত্র

Eta

ē · /ɛː/

সম্ভবত বেড়া

Theta

th · /tʰ/

সম্ভবত চাকা

Iota

i · /i/

সম্ভবত হাত

Kappa

k · /k/

সম্ভবত তালু

Lambda

l · /l/

সম্ভবত অঙ্কুশ

Mu

m · /m/

সম্ভবত জল

Nu

n · /n/

সম্ভবত মাছ

Xi

x · /ks/

সম্ভবত অবলম্বন

Omicron

o · /o/

ছোট o

Pi

p · /p/

সম্ভবত মুখ

Rho

r · /r/

সম্ভবত মাথা

Sigma

s · /s/

সম্ভবত দাঁত

Tau

t · /t/

সম্ভবত চিহ্ন

Upsilon

y · /y/

সাধারণ u

Phi

ph · /pʰ/

উৎপত্তি অজানা

Chi

ch · /kʰ/

উৎপত্তি অজানা

Psi

ps · /ps/

উৎপত্তি অজানা

Omega

ō · /ɔː/

দীর্ঘ o

ইতিহাস

গ্রিক বর্ণমালার বিকাশ ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতকের দিকে ফিনিশীয় বর্ণমালা থেকে এবং স্বরবর্ণের জন্য অক্ষর রাখা এটিই প্রথম বর্ণমালা। "alphabet" শব্দটি এসেছে এর প্রথম দুটি অক্ষর alpha ও beta থেকে।

গ্রিক সংস্কৃতি ও পাণ্ডিত্যের সঙ্গে এই বর্ণমালা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এটি লাতিন, সিরিলীয় ও কপটিক লিপির পূর্বসূরি; আর আজও গ্রিক লেখায় একই ২৪টি অক্ষর ব্যবহৃত হয়।

উৎস

অক্ষরের ক্রম ও রূপ ইউনিকোড অনুসারে; নাম ও ধ্বনি প্রামাণ্য শাস্ত্রীয় পুনর্নির্মাণ অনুসরণ করে।